ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা জীবনে মা-বাবার ভূমিকা ও শিক্ষার্থীর করণীয় কি ?

 


সন্তানের উচ্চ শিক্ষা অব্দি বাবা-মার উচিত তাদেরকে নিজের কাছে রেখে মানুষ করা। অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন বাধ্য হয়ে যখন সন্তানকে অচেনা পরিবেশে পাঠানো হয়, তখন করনীয় কি ? 
উত্তর হল যদি আমাদের সন্তান স্নেহ মমতার বন্ধনে বেড়ে উঠে , তাকে নিয়া কোন টেনশান করার প্রয়োজন নেই। সে লাইনচ্যুত হবে না আশা করা যায়।

 শিক্ষা জীবনের ৩টি স্তর রয়েছে।
১। শিশুকাল ঃ এই বয়সের শিক্ষার্থীরা সাধারনতঃ বাবা-মায়ের সাথেই থাকে। ভেবে দেখুনতো আপনি আমি এই বয়সে বাবা-মায়ের কাছে না থাকলে আমরাও পথশিশু হয়ে যেতাম। আমাদের স্থান হতো কোন না কোন অনাথ আশ্রমে।

২। টিনেজ বা বয়ঃসন্ধিকাল ঃ এই বয়সের শিশুরা অপাংক্তেয়। রবি ঠাকুরের ভাষায় , আদো আদো কথা নেকামি, পাকা কথা জেঠামি। এই বয়সে কোন শিশু বাবা-মা ছেড়ে ভিন্ন পরিবেশে মানুষ হলে রবি ঠাকুরের বিখ্যাত ছুটি গল্পের ফটিকের মত ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যর কোলে ঢলে পড়তে হবে।অন্যথায় অনাদরে অবহেলায় বেড়ে উঠা এরাই এক সময় চাঁদাজাজ মাস্তান হিসাবে সমাজকে কলুষিত করে।

৩। যৌবনকাল ঃ ভীষণ উচ্চবিলাসী এক অদ্ভুত জীবনকাল। বাবা-মায়ের সাথে না থাকলে বেশ কিছু বিকৃত মানসিকতা তৈরী হয়। পকেটে টাকা না থাকলেও ভাবের সীমা থাকেনা।গার্লফ্রেন্ডের সামনে বাবাকেও চাকর বলতে দ্বিধা করে না।

এবার আসি এই বয়সের শিক্ষার্থী পরিবার ছেড়ে ভিন্ন পরিবেশে গেলে করনীয় কি?
* তার সর্বদা বাবা-মায়ের সাথে ঘনিষ্ট যোগাযোগ বজায় রাখতে হবে। 
* রুমমেট বা চার পাশের মানুষগুলোকে দ্রুত চিনে ফেলতে হবে।
* ভয় না পেয়ে সবার সাথে চলার জন্য সমঝোতার পথ বেছে নিতে হবে।
* চারপাশের মানুষের সাথে বন্ধুসুলভ উপকারী আচরনের মাধ্যমে কিছু বিশ্বস্থ বন্ধু তৈরী করে ফেলতে হবে যাতে তারা বিপদের সময় এগিয়ে আসে।

Post a Comment

0 Comments