একটি আদর্শ পরিবারের বৈশিষ্ট্য কী? এবং কেমন হওয়া উচিত?

পরিবার হল মানব সভ্যতার আদি সোপান। এই পরিবারকে ঘিরেই মানব সভ্যতা বিকশিত হয়েছে। একটি আদর্শ পরিবারই কেবল একটি সুস্থ জাতি গঠন করতে পারে। কেমন হওয়া উচিৎ একটি আদর্শ পরিবার ? একটি আদর্শ পরিবারের বৈশিষ্ট্য কী? এবং কেমন হওয়া উচিত?


তাহলে চলুন দেখি একটি আদর্শ পরিবারের বৈশিষ্ট কি এবং কেমন হওয়া উচিৎ ?

১। একক নেতৃত্বঃ 

শৃঙ্খলাই জীবন। আর এই শৃঙ্খলার পিছনে রয়েছে একক নেতৃত্ব। একটি টেবিল যদি চারদিক থেকে চার জনে ধরে টান দেয় , সেটি কোন দিকেই যাবে না। অর্থাৎ কোন ফলাফল তৈরী করবে না। এধরনের পরিবারে সর্বদা অশান্তি বিরাজমান থাকে। কারো কথা কেউ শোনে না। সাধারনতঃ যে পরিবারে বাবাকে মেনে সবাই চলে, ওই পরিবারে একটি সম্মানজনক প্রীতিবন্ধনে সবাই আবদ্ধ থাকে।

২। সুশিক্ষাঃ

আদর্শ, নৈতিকতা, মূল্যবোধ সবকিছু নির্ভর করে সুশিক্ষার উপর। এক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা অপরিসীম। নেপোলিয়ান বলেছিলেন, আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে একটি শিক্ষিত জাতি উপহার দিব। মা-বাবা শিক্ষিত হলে এ প্রভাব সন্তানদের উপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে। আদর্শ পারিবারিক পরিবেশে সন্তান বেড়ে না উঠলে এরাই অশিক্ষিত , বর্বর , মাস্তান হিসাবে গড়ে উঠে।

৩। স্বচ্ছলতাঃ

সাধারনতঃ অসচ্ছল পরিবারগুলোতেই অশিক্ষা, বর্বরতা গড়ে উঠে। এর পধান কারণ বাবা-মা উভয়ই চাকুরীজিবী। এতে অনেক সামাজিক বৈকল্য তৈরী হয়। শিশুদের একাকিত্ব তাদেরকে বিকৃত মানসিকতা নিয়ে বেড়ে উঠতে দেখা যায়। 

৪। ভালোবাসাঃ

কোন বৈশিষ্ট্য যদি নাও থাকে , কেবল ভালোবার সংসারই পারে সকল জটিল গ্রন্থি উন্মোচন করতে। ভালোবাসার সংসারে আদর্শ মানুষ তৈরী হয়। ভালোবাসার কারনে শিশুরা শারীরিক ওমানসিক নির্যাতনের শিকার হয় না। ফলে তারা আদর্শ নাগরিক হিসাবে গড়ে উঠে। এই ভালোবাসার বন্ধনের কারনে ভবিষ্যতে বাবা-মাকে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হয় না।

Post a Comment

0 Comments