সুস্থতা আনতে পারে চায়নিজ খাদ্য সংস্কৃতি

এই পর্বে আমরা চাইনিজ চিকিৎসাপদ্ধতির কিছু বিষয়ে আলোচনা করব। এক্ষেত্রে মানুষের খাদ্যাভ্যাস একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শারীরিক সুস্থতার জন্য এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।সারারাত আমাদের পাকস্থলী খালি থাকে। এজন্য ঘুম থেকে উঠে প্রথম বডিকে ওয়ার্ম আপ করতে হয় এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করে। তারপর আমরা ব্রেকফাস্ট করব।

সুস্থতা আনতে পারে চায়নিজ খাদ্য সংস্কৃতি

এক্ষেত্রে চীন এবং দূরপ্রাচ্যের দেশ গুলোর খাদ্য সংস্কৃতি আমাদের নতুন চিন্তার খোরাক হতে পারে। তারা মনে করে, সকালবেলা রাজার খাবার ,দুপুরবেলা প্রজার খাবার এবং রাতের বেলা গরীবের খাবার। তারা সকাল ৮ ঘটিকার মধ্যে দিবসের পূর্ণ খাবার খেয়ে নেয় । আবার দুপুর ১ টার মধ্যে মধ্যাহ্নভোজ সেরে নেয় এবং রাত ৮ ঘটিকার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে ফেলে । রাত আটটার পরে কোথাও খাবারের দোকান খোলা পাওয়া যায় না।

অথচ আমরা কিন্তু ওল্টা খাবার খাই । সকালবেলায় খুবই হালকা নাস্তা খাই। দুপুরবেলা রাজার খাবার এবং রাতের বেলা প্রজার খাবার খাই।


 ফলাফল হল , ওরা আমাদের চেয়ে সুঠাম দেহের অধিকারী এবং দীর্ঘজীবী । বার্ধক্য ঐ সকল দেশের মানুষকে সহজে কাবু করতে পারে না।  তাদের এই খাদ্য-সংস্কৃতির পেছনে তাদের ডক্টরদের চমৎকার ব্যাখ্যা রয়েছে। 


তাদের মতে, রাত দশটায় লিভার তার সুনির্দিষ্ট কাজটি শুরু করে এবং রাত ১২ টায় কিডনি তার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজটি শুরু করে। 


আমরা যদি তখনো বিশ্রামে না যাই, তাহলে আমাদের অভ্যন্তরীণ ভাইটাল অরগ্যান গুলি ঠিকমতো ফাংশন করতে পারেনা ফলে আমাদের জীবনী শক্তি কমে যায় ।এটাও আমাদের বাংলাদেশের মানুষের স্বাস্থ্যহানির এবং স্ট্রোক জনিত মৃত্যুর কারণ বলে বিবেচিত।


Post a Comment

0 Comments